সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ড ভিসা ২০২৬: কত টাকা লাগে, বয়স ও কাজের বিবরণ
সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামুদ্রিক বন্দর এবং জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত (Marine & Offshore Engineering) কেন্দ্র। সিঙ্গাপুরের তুয়াস (Tuas), জুরং (Jurong) এবং সেম্বাওয়াং অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বখ্যাত শিপইয়ার্ড কোম্পানিগুলোতে (যেমন: Seatrium / Keppel Offshore & Marine / Sembcorp Marine, PaxOcean ও ST Engineering) হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মী অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করছেন। কনস্ট্রাকশন খাতের তুলনায় শিপইয়ার্ড ভিসার প্রক্রিয়া কিছুটা আলাদা এবং দীর্ঘমেয়াদে এখানে কাজের স্থায়িত্ব ও দক্ষতার মূল্যায়ন অনেক বেশি।
এই পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকায় আমরা জানব ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ড ভিসায় কী কী কাজ থাকে, ভিসা পেতে বয়স ও যোগ্যতা কত লাগে, বাংলাদেশে ট্রেনিং ও ভিসা প্রসেসিংয়ে মোট কত টাকা খরচ হয়, মেরিন সেফটি কোর্স (MSOC) এবং শিপইয়ার্ড কর্মীদের মাসিক বেতন ও ওভারটাইম সুবিধা কেমন।
সিঙ্গাপুর মেরিন শিপইয়ার্ড ভিসা কি এবং কেন এর চাহিদা বেশি?
সিঙ্গাপুরের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের জন্য অনুমোদিত তিনটি প্রধান খাতের একটি হলো Marine Shipyard Sector। এই খাতে বিশাল সমুদ্রগামী কার্গো জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার, এলএনজি ক্যারিয়ার এবং অফশোর অয়েল রিগ নির্মাণ, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়। কনস্ট্রাকশন খাতের কোম্পানিকে যেখানে একজন নতুন R2 কর্মীর জন্য মাসে ৭০০–৯০০ ডলার সরকারি লেভি দিতে হয়, সেখানে মেরিন শিপইয়ার্ড খাতে সরকারি লেভি হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম (৩০০–৪০০ ডলার)। ফলে শিপইয়ার্ডের প্রধান কোম্পানি ও তাদের নিবন্ধিত রেসিডেন্ট কন্ট্রাক্টররা (Resident Contractors) বাংলাদেশি কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদে নিয়োগ দিতে এবং নিয়মিত পারমিট নবায়ন করতে বেশি আগ্রহী হয়। সিঙ্গাপুরের শ্রম আইনের অধিকার সম্পর্কে জানতে আমাদের সিঙ্গাপুর শ্রম আইন ও MOM অভিযোগ গাইডটি পড়ুন।
শিপইয়ার্ডের প্রধান কাজ ও পদসমূহ (ওয়েল্ডার, ফিটার, রিগার ও পেইন্টার)
জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত ইয়ার্ডে দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য বহুমুখী কারিগরি কাজের সুযোগ রয়েছে। শিপইয়ার্ডের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ৭টি কাজের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
- ১. মেরিন ওয়েল্ডার (3G / 4G / 6G SMAW, FCAW & TIG/MIG Welder): জাহাজের স্টিল প্লেট ও উচ্চচাপের পাইপলাইন জোড়া লাগানোর কাজ। ৬জি ও ফ্লাক্স-কোরড (FCAW) ওয়েল্ডারদের বেতন শিপইয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি।
- ২. মেরিন পাইপ ফিটার ও স্টিল ফিটার (Pipefitter & Structural Steel Fitter): ব্লুপ্রিন্ট দেখে জাহাজের ইঞ্জিন রুম ও ডেকের পাইপলাইন কাটা, ফ্ল্যাঞ্জ লাগানো এবং স্টিল স্ট্রাকচার ফিটিং করা।
- ৩. মেরিন ইলেকট্রিশিয়ান ও মেকানিক্যাল ফিটার: জাহাজের জেনারেটর, সুইচবোর্ড, নেভিগেশন কেবল টানা এবং পাম্প-ভালভ ওভারহলিংয়ের কাজ।
- ৪. ব্লাস্টার ও মেরিন পেইন্টার (Grit Blaster & Airless Spray Painter): জাহাজের হাল বা বডি থেকে মরিচা পরিষ্কার করে উচ্চচাপের স্প্রে মেশিন দিয়ে মেরিন অ্যান্টি-ফাউলিং পেইন্ট করা।
- ৫. রিগার, সিগন্যালম্যান ও মেরিন স্ক্যাফোল্ডার (Rigger & Metal Scaffolder): ভারী ক্রেনের সাহায্যে জাহাজের ব্লক ওঠানামা করানো এবং জাহাজের ভেতরে-বাইরে কাজের জন্য লোহার মাচা বা স্ক্যাফোল্ডিং তৈরি করা।
সিঙ্গাপুর যেতে বয়স কত লাগে এবং শিপইয়ার্ড ভিসায় মোট খরচ কত?
বয়সসীমা ও শারীরিক যোগ্যতা: MOM-এর নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে নতুন ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের সময় কর্মীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছর থেকে ৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শিপইয়ার্ডে ভারী শারীরিক পরিশ্রম ও উঁচু স্থানে কাজের কারণে কোম্পানিগুলো সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী সুস্থ, কালার-ব্লাইন্ডনেসমুক্ত (রঙ চেনার স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন) তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়।
| ভিসার ধরন ও নিয়োগ মাধ্যম | প্রশিক্ষণ ও টেস্ট খরচ | মেডিকেল, বিএমইটি ও বিমান ভাড়া | সর্বমোট আনুমানিক খরচ (২০২৬) |
|---|---|---|---|
| সরাসরি শিপইয়ার্ড কোম্পানি রিক্রুটমেন্ট (Direct Selection) | ১৫,০০০ ৳ – ৩৫,০০০ ৳ (ট্রেড টেস্ট) | ৬৫,০০০ ৳ – ৮৫,০০০ ৳ | আনুমানিক ১,৮০,০০০ ৳ – ৩,০০,০০০ ৳ |
| অনুমোদিত এজেন্সি ও মেরিন কন্ট্রাক্টর ভিসা | ৩০,০০০ ৳ – ৫০,০০০ ৳ | ৭০,০০০ ৳ – ৯০,০০০ ৳ | আনুমানিক ৩,৫০,০০০ ৳ – ৪,৮০,০০০ ৳ |
| কনস্ট্রাকশন ভিসা (বিসিএ স্কিল টেস্ট সহ) | ৫০,০০০ ৳ – ৮০,০০০ ৳ (OTC কোর্স) | ৭০,০০০ ৳ – ৯০,০০০ ৳ | আনুমানিক ৪,০০,০০০ ৳ – ৫,৫০,০০০ ৳ |
সতর্কবার্তা: দালালরা অনেক সময় শিপইয়ার্ড বা কনস্ট্রাকশন ভিসার জন্য ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা দাবি করে। এত বিপুল টাকা সুদে বা জমি বিক্রি করে দিয়ে গেলে সেই টাকা তুলতেই ২-৩ বছর লেগে যায়। তাই সব সময় বিএমইটি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সরাসরি কোম্পানির ইন্টারভিউ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
বাধ্যতামূলক মেরিন সেফটি কোর্স (MSOC) ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা
সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর যেকোনো শিপইয়ার্ডে প্রবেশের আগে প্রত্যেক কর্মীকে বাধ্যতামূলকভাবে Apply Workplace Safety and Health in Marine Work (পূর্বে Marine Safety Orientation Course বা MSOC / BCSS নামে পরিচিত) পরীক্ষায় পাস করতে হয়। অনবোর্ডিংয়ের পরপরই কোম্পানির খরচে বাংলা ভাষায় এই সেফটি কোর্স করানো হয় এবং পাস করলে একটি সেফটি পাস কার্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া জাহাজের খোলের ভেতর বা বদ্ধ ট্যাংকে কাজ করার জন্য আলাদা 'Confined Space Safety Course' করানো হয়।
সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ড কাজের বেতন, ওভারটাইম ও ডরমিটরি সুবিধা
শিপইয়ার্ডে নতুন সাধারণ কর্মীদের দৈনিক বা মাসিক বেসিক বেতন ৭৫০ থেকে ৯৫০ সিঙ্গাপুর ডলার এবং দক্ষ ওয়েল্ডার ও পাইপ ফিটারদের বেসিক বেতন ১,০০০ থেকে ১,৩৫০ ডলার পর্যন্ত হয়। জাহাজ ডেলিভারির চাপ থাকলে শিপইয়ার্ডে প্রতিদিন ২ থেকে ৪ ঘণ্টা এবং রবিবারেও প্রচুর ওভারটাইম থাকে। ফলে ওভারটাইমসহ একজন শিপইয়ার্ড কর্মীর মাসিক মোট আয় ১,২৫০ থেকে ১,৯০০ সিঙ্গাপুর ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা) হয়ে থাকে। বিস্তারিত বেতনের হিসাব জানতে আমাদের সিঙ্গাপুরে বেতন কত ২০২৬ গাইডটি দেখুন এবং প্রতিদিনের বিনিময় হার জানতে প্লে স্টোরের Taka Rate Today অ্যাপ (আজকের টাকার রেট) ব্যবহার করুন।
শিপইয়ার্ড ভিসায় দালাল প্রতারণা এড়াতে আইপিএ ও কোটা যাচাই
অনেক সময় ছোট সাব-কন্ট্রাক্টর বা সাপ্লাই কোম্পানির হাতে নিয়মিত জাহাজের প্রজেক্ট থাকে না। তাই শিপইয়ার্ড ভিসার টাকা দেওয়ার আগে অবশ্যই আমাদের সিঙ্গাপুর ওয়ার্ক পারমিট চেক এবং সিঙ্গাপুর আইপিএ চেক গাইড অনুসরণ করে MOM পোর্টালে দেখে নিন আপনার আইপিএ লেটারে 'Sector: Marine Shipyard' লেখা আছে কি না এবং কোম্পানির নাম কী। সরাসরি মেইন ইয়ার্ড বা প্রথম সারির রেসিডেন্ট কন্ট্রাক্টর কোম্পানিতে গেলে কাজের কখনোই অভাব হয় না।
সিঙ্গাপুরের প্রধান শিপইয়ার্ড অঞ্চল ও রেসিডেন্ট কন্ট্রাক্টর ব্যবস্থা
সিঙ্গাপুরের মেরিন ও অফশোর শিল্প মূলত দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় শিল্পাঞ্চল তুয়াস (Tuas View / Tuas South), জুরং ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট, বেনোই (Benoi), গুল রোড (Gul Road) এবং সেম্বাওয়াং (Sembawang) ঘিরে গড়ে উঠেছে। এখানে প্রধান মাদার ইয়ার্ডগুলোর (যেমন: Seatrium, Keppel, Sembcorp, PaxOcean, ST Engineering Marine) অধীনে শত শত নিবন্ধিত Resident Contractors (সাব-কন্ট্রাক্টর কোম্পানি) কাজ করে। বাংলাদেশ থেকে যাঁরা শিপইয়ার্ড ভিসায় যান, তাঁদের অধিকাংশেরই ভিসা হয় এই রেসিডেন্ট কন্ট্রাক্টর কোম্পানিগুলোর নামে, কিন্তু তাঁদের প্রতিদিনের ডিউটি থাকে মূল বড় শিপইয়ার্ডের জাহাজে বা ড্রাই-ডকে।
শিপইয়ার্ডে কাজের পরিবেশ অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ। প্রতিদিন সকালে কাজ শুরুর আগে দলগতভাবে ১৫ মিনিটের টুলবক্স মিটিং (Toolbox Meeting) ও শরীরচর্চা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ওই দিনের কাজের ঝুঁকি ও নিরাপত্তা নির্দেশনা বাংলায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জাহাজের খোলের ভেতর বা উঁচু ডকে কাজ করার সময় সেফটি বেল্ট (Full-body Harness), হেলমেট, সেফটি চশমা, ইয়ার প্লাগ ও স্টিল-টো বুট পরা শতভাগ বাধ্যতামূলক। আপনি যদি বাংলাদেশে থাকতেই ভালোভাবে ৩জি/৬জি ওয়েল্ডিং, পাইপ ফিটিং বা ইলেকট্রিক্যাল কাজ শিখে যান, তবে সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ডে গিয়ে মাত্র ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সিনিয়র চার্জহ্যান্ড বা ফোরম্যান পদে পদোন্নতি পেয়ে মাসে ২,০০০ ডলারের বেশি আয় করতে পারবেন।
ভিসার টাকা পরিশোধ করার পূর্বে অবশ্যই এজেন্সির কাছ থেকে মূল আইপিএ কপি নিয়ে নিজের ফোনে SGWorkPass অ্যাপ দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে নিশ্চিত হয়ে নেবেন যে আপনার পাসের মেয়াদ ও বেসিক বেতন চুক্তি অনুযায়ী সঠিক আছে কি না। তাছাড়া শিপইয়ার্ডে দীর্ঘ বছর কাজ করে যখন আপনি মেরিন কোর ট্রেড (Marine CoreTrade) বা মাল্টি-স্কিলিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন, তখন আপনার ক্যাটাগরি R2 থেকে উন্নত হয়ে R1 দক্ষ কর্মীতে রূপান্তরিত হবে। এর ফলে কোম্পানির মাসিক লেভি হ্রাস পাবে এবং আপনি সিঙ্গাপুরের মেরিন সেক্টরে সর্বোচ্চ ২৬ বছর পর্যন্ত (৫৮ বছর বয়স সীমা পর্যন্ত) উচ্চ বেতনে চাকরির সুযোগ লাভ করবেন।
🔗 সম্পর্কিত সিঙ্গাপুর ভিসা, বেতন ও শ্রম আইন গাইডসমূহ
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর (FAQ)
সিঙ্গাপুর প্রবাসী কর্মী এবং নতুন ভিসাপ্রত্যাশী ভাইদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর সুনির্দিষ্ট ও দালালমুক্ত উত্তর নিচে তুলে ধরা হলো:
না, বিসিএ স্কিল টেস্ট মূলত কনস্ট্রাকশন খাতের জন্য। শিপইয়ার্ড (Marine Sector) ভিসার জন্য বাংলাদেশে অনুমোদিত মেরিন ট্রেনিং সেন্টারে শিপইয়ার্ড কোম্পানির প্রতিনিধিরা সরাসরি ওয়েল্ডিং, ফিটিং বা ট্রেড টেস্ট ও ইন্টারভিউ নিয়ে কর্মী বাছাই করেন।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নতুন ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের জন্য বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শিপইয়ার্ডের কাজের জন্য ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী শারীরিকভাবে সক্ষম প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
দক্ষ ওয়েল্ডার, পাইপ ফিটার, ইলেকট্রিশিয়ান ও মেকানিক্যাল কর্মীদের জন্য শিপইয়ার্ড ভিসা অত্যন্ত ভালো কারণ এখানে কোম্পানির মাসিক লেভি কম থাকে এবং বড় শিপইয়ার্ডগুলোতে দীর্ঘ বছর ধরে একই স্থানে স্থায়ীভাবে কাজ ও ওভারটাইম পাওয়া যায়।
হ্যাঁ, প্রায় সব শিপইয়ার্ড কোম্পানি এবং রেসিডেন্ট কন্ট্রাক্টররা কর্মীদের ডরমিটরি থেকে সকালে ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া এবং রাতে কাজ শেষে ডরমিটরিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিজস্ব বাস বা লরি পরিবহন সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করে।
সাধারণত মেরিন সেক্টরের কর্মীরা মেরিন সেক্টরের অন্য যেকোনো শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে সহজেই ট্রান্সফার হতে পারেন। তবে আন্তঃখাত (Cross-sector) ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারিগরি সনদ ও MOM-এর কোটা শর্ত পূরণ করতে হয়।
আইনি ডিসক্লেইমার ও সরকারি তথ্যসূত্র
আইনি সতর্কবার্তা: "সিঙ্গাপুর শিপইয়ার্ড ভিসা ২০২৬: কত টাকা লাগে, বয়স ও কাজের বিবরণ" শীর্ষক এই নির্দেশিকাটি সিঙ্গাপুরগামী ও সিঙ্গাপুরে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দালালচক্রের প্রতারণা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত একটি তথ্যমূলক গবেষণাপত্র। এটি কোনো সরকারি গেজেট বা বাণিজ্যিক আইনি পরামর্শ নয়। সিঙ্গাপুরের জনশক্তি মন্ত্রণালয় (MOM), ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (ICA), বিল্ডিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন অথরিটি (BCA) এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের যেকোনো নীতিমালা বা ফি যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
- সিঙ্গাপুর জনশক্তি মন্ত্রণালয় (Ministry of Manpower - MOM):
https://www.mom.gov.sg - ইমিগ্রেশন অ্যান্ড চেকপয়েন্টস অথরিটি (ICA Singapore):
https://www.ica.gov.sg - ট্রাইপার্টাইট অ্যালায়েন্স ফর ডিসপিউট ম্যানেজমেন্ট (TADM):
https://www.tal.sg/tadm - বাংলাদেশ হাইকমিশন, সিঙ্গাপুর (Bangladesh High Commission):
https://singapore.mofa.gov.bd